ঢাকাবুধবার , ৬ অক্টোবর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইউ কৃষি
  5. ইউ মিউজিক
  6. ইউ স্পোর্টস
  7. ইউটিভি পরিবার
  8. ইয়ুথ ব্লেন্ড
  9. উদোক্তা
  10. উৎসব
  11. এককাপ চা
  12. এক্সক্লুসিভ
  13. খেলা
  14. গণমাধ্যম
  15. গসিপ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এক মাসের মধ্যেই আবরার হত্যার রায় ঘোষণা, আশা রাষ্ট্রপক্ষের

প্রতিবেদক
অবনী হালদার
অক্টোবর ৬, ২০২১ ৫:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বহুল আলোচিত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার মামলার রায় দ্রুত পাওয়ার প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। বিচারিক কাজ শেষে আগামী এক মাসের মধ্যে এই মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে (১) দুই বছর আগের এই মামলায় এখন রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে। এরপর আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলা রায় ঘোষণা করবেন বিচারক।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইঞা ইউটিভিকে বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে মামলাটির রায় হবে।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে হলটির আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশিত হলে সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরে ১৯ শিক্ষার্থীকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন আবরারের বাবা। এরপর মামলার এজাহারের ১৬ জনসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২০১৯ সালে ১৩ নভেম্বর আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযোগপত্রে মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়। পরে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান। কিন্তু মহামারি করোনার কারণে বিচার কাজ থমকে যায়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইঞা ইউটিভিকে বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যার মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামী পক্ষের যুক্তিতর্ক চলছে, এটি শেষ হলেই রায় ঘোষণা করবেন আদালত। আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পাবো। ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পাবে বলে আশা করছি।

এদিকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছেন আবরারের পরিবার। তার বাবা বরকতউল্লাহ ইউটিভিকে বলেন, আমরা তাড়াতাড়ি বিচার শেষে আমামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখতে চাই।