ঢাকাবুধবার , ৩ নভেম্বর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইউ কৃষি
  6. ইউ মিউজিক
  7. ইউ স্পোর্টস
  8. ইউটিভি পরিবার
  9. ইয়ুথ ব্লেন্ড
  10. উদোক্তা
  11. উৎসব
  12. এককাপ চা
  13. এক্সক্লুসিভ
  14. খেলা
  15. গণমাধ্যম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিচার পেলেন কি দুই আসামী?:
আপিল নিষ্পত্তির আগেই আসামির ফাঁসি কার্যকর

প্রতিবেদক
অনিরুদ্ধ হাসান
নভেম্বর ৩, ২০২১ ৮:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চুয়াডাঙ্গার মনোয়ার হত্যা মামলার আসামি মকিম ও ঝড়ুর আপিল শুনানি নিষ্পত্তির আগেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ১১ নম্বর ক্রমিকে ছিল। তবে শুনানি হয়নি।

জানা গেছে, আসামি মোকিম ও ঝড়ুর বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন একই এলাকার সাবেক মেম্বর মনোয়ার হোসেন খুন হন। ওই ঘটনায় তার চাচাতো ভাই মো. অহিমউদ্দিন বাদী হয়ে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার এজাহারে মোকিম ও ঝড়ুর নাম আসে। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল এ মামলার বিচারে তিনজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ, দুইজনকে যাবজ্জীবন ও অন্য আসামিদের খালাস দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- একই ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, মোকিম ও ঝড়ু।

নিম্ন আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুসারে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। মামলার ডেথ রেফারেন্স নম্বর ছিল ৩৯/২০০৮। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট মোকিম ও ঝড়ুর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে ২০১৩ সালের ৭ জুলাই ও ৮ জুলাই মামলার রায় ঘোষণা করেন। বাকি আসামিদের খালাস দেন হাইকোর্ট।

পরে মোকিম (আপিল নং- ১১১/২০১৩) ও ঝড়ু (আপিল নং- ১০৭/২০১৩) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করে। তখন মোকিমের পক্ষে আপিল মামলাটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির।

এদিকে দীর্ঘসময় পর আপিল মামলাটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ওঠে। মামলাটি শুনানির জন্য তালিকায় ওঠার পর দরিদ্র মোকিমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আইনজীবী মো. হুমায়ন কবির। যোগাযোগ করে তিনি জানতে পারেন আপিল নিষ্পত্তির আগেই ২০১৭ সালে মোকিমের ফাঁসি কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। অন্য আসামি ঝড়ুর মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করা হয়েছে।

আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির ইউটিভিকে বলেন, বিচারপ্রার্থীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়েছি, কনডেম প্রিজনার মোকিম ও ঝড়ুর মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে। মূলত মোকিম ও ঝড়ুর পরিবার খুবই দরিদ্র। তাই তাদের পরিবারের সদস্যরা সেভাবে মামলার বিস্তারিত খোঁজ নিতে পারেননি।

নিয়মানুযায়ী, নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে অনুমতি প্রয়োজন হয় হাইকোর্টের। হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন হওয়ার পর তা কার্যকরে আরও কিছু প্রক্রিয়া মেনে চলতে হয়। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মামলার কোনো পক্ষ যদি আপিল দায়ের করে সেক্ষেত্রে তা নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে। হাইকোর্ট কর্তৃক কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের পর আপিল দায়ের করা হলে আপিল বিভাগ থেকে কারা কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট ডিসির কাছে এ বিষয়ে নির্দেশনা যায়। ফলে দণ্ড কার্যকর ওই সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়।